ইরানের হামলায় ইসরাইলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ইরানের হামলায় ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবের একটি সড়কে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রকাশ্যে এসেছে ধ্বংসযজ্ঞের ছবিও।

আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আল-জাজিরার লাইভ আপডেট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

লাইভ সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরাইলের তেল আবিব এলাকার একটি অংশে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।

একটি স্থানে দেখা যায়, জরুরি কর্মী ও পুলিশ ভাঙাচোরা ধ্বংসাবশেষে ভরা একটি ব্যস্ত রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। সেখানে বেশ কয়েকটি গাড়ি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—একটি গাড়ি উল্টে পাশের দিকে পড়ে আছে এবং অন্য কয়েকটি গাড়ি মারাত্মকভাবে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-ইসরাইল সংঘাতে তেল আবিবসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে এবং কিছু স্থানে ভবন ও যানবাহনের ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন

অপ্রতিমকে হত্যার ছক ৭ দিন আগেই ঠিক করেছিল

ছবি তোলা ও টিকটক তৈরি করার সূত্রে গড়ে ওঠে পরিচয়। এরপর লোভ হয় আইফোনের প্রতি। ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকে শুরু হয় পরিকল্পনা।...

আরও পড়তে পারেন

অপ্রতিমকে হত্যার ছক ৭ দিন আগেই ঠিক করেছিল

ছবি তোলা ও টিকটক তৈরি করার সূত্রে গড়ে ওঠে পরিচয়। এরপর লোভ হয় আইফোনের প্রতি। ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকে শুরু হয় পরিকল্পনা।...

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ধ্বংসাত্মক’ যুদ্ধ করতে ইরান প্রস্তুত আছে

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গতকাল রোববার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ধ্বংসাত্মক’ যুদ্ধ করতে তাঁর দেশ প্রস্তুত আছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তির কোনো সুযোগ যেন হাতছাড়া না হয়, সে জন্য আরাগচি কূটনীতির পথ খোলা রাখার পক্ষেও কথা বলেছেন। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথাগুলো বলেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে সফর করেন আরাগচি। ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল। পাল্টা পদক্ষেপ নেয় তেহরান। পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে যুদ্ধের দামামা। এর পর থেকে ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের দফায় দফায় যুদ্ধ চলছে। সংকটের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি পণ্যের দাম বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি আরও বেড়েছে।

গ্রিনল্যান্ডে দুটি বড় সামরিক ঘাঁটি বানাবে যুক্তরাষ্ট্র

ডেনমার্কের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তির আওতায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে দুটি বিশাল সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই চুক্তির ফলে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পাকাপোক্ত বা ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠিত হবে। খবর আনাদোলু এজেন্সির। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা দ্রুতই উপযুক্ত জায়গায় বড় সামরিক উপস্থিতি গড়ে তোলার কাজ শুরু করব। সেখানে দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে।’ ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে হওয়া এই চুক্তির সুবাদে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সব বিষয়ের ওপর ওয়াশিংটনের পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকবে বলে জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে শুধু আমেরিকা মহাদেশ নয়, বরং ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল রক্ষায় যা করা দরকার, তা করার পূর্ণ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে চলে আসবে।