আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ সময়ের জন্য গ্যাস অয়েল (ডিজেল) ও জেট এ-১ আমদানির যে কার্যক্রম নেওয়া হয়েছিল, তা বাতিলের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। একই বৈঠকে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাবেও অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) আহ্বান করা আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের আওতায় ডিজেল ও জেট এ-১ আমদানির কার্যক্রম বাতিলের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের জন্য ওই দরপত্রে চারটি প্যাকেজের মাধ্যমে গ্যাস অয়েল ও জেট এ-১ আমদানির পরিকল্পনা ছিল। প্যাকেজ-১ থেকে প্যাকেজ-৪ পর্যন্ত এসব জ্বালানি আমদানির কথা থাকলেও পরে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বাতিলের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বৈঠকে কমিটি প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করে।
অন্যদিকে, বৈঠকের বিবিধ আলোচনায় সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আরও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব ওঠে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ৬ ও ২২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে এলএনজির এই দুই কার্গো আমদানির কথা রয়েছে। বিদ্যমান চুক্তিমূল্যের পরিবর্তে নতুন মূল্যে এসব এলএনজি কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম জেএমকে থেকে শূন্য দশমিক শূন্য দুই মার্কিন ডলার কম নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বৈঠকে কাতার থেকে অতিরিক্ত দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাবটিও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।








