র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম করে রাখার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ আবার শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল-১ এ এ বিষয়ে আদেশ দেওয়া হয়। এদিন মামলার সপ্তম সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল নতুন তারিখ হিসেবে ১৩ অক্টোবর নির্ধারণ করেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে র্যাবের টিএফআই সেলে বিভিন্ন ব্যক্তিকে গুম করে আটকে রাখার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে এ মামলার বিচার চলছে। গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।
মামলার ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন বর্তমানে ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে রয়েছেন। তারা হলেন—র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান; র্যাবের সাবেক ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম। কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান বর্তমানে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে রয়েছেন।
অন্যদিকে, মামলার বাকি সাত আসামি পলাতক। তারা হলেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, সাবেক মহাপরিচালক মো. হারুন অর রশিদ এবং সাবেক ইন্টেলিজেন্স উইং পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।
সাক্ষী উপস্থিত না থাকায় নির্ধারিত কার্যক্রম পিছিয়ে যাওয়ায় এখন ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।








