ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন আজ বৃহস্পতিবার। তবে তাঁকে বহনকারী উড়োজাহাজটি নিউইয়র্কে নামবে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের একটি সংবাদমাধ্যম।
কারণ, অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে মেয়র জোহরান মামদানি উড়োজাহাজটিকে বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন বলে আশঙ্কা ইসরায়েলের কর্মকর্তাদের। ইয়েদিওথ আহরোনথ নামের ওই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের বদলে নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ অবতরণ করতে পারে নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের কোনো সামরিক ঘাঁটি বা ওই অঙ্গরাজ্যের নিউআর্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এ ছাড়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে খুবই কম সময় নিউইয়র্কে থাকবেন নেতানিয়াহু।
সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে জড়ালে কিংবা লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদেব প্রণালীর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে পাল্টা...
ডেনমার্কের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তির আওতায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে দুটি বিশাল সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই চুক্তির ফলে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পাকাপোক্ত বা ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠিত হবে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা দ্রুতই উপযুক্ত জায়গায় বড় সামরিক উপস্থিতি গড়ে তোলার কাজ শুরু করব। সেখানে দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হবে।’
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে হওয়া এই চুক্তির সুবাদে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সব বিষয়ের ওপর ওয়াশিংটনের পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকবে বলে জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে শুধু আমেরিকা মহাদেশ নয়, বরং ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল রক্ষায় যা করা দরকার, তা করার পূর্ণ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে চলে আসবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন চলছে নিউইয়র্কে। বার্ষিক এই সাধারণ আলোচনায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রথম ভাষণ দেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তার পরই ভাষণ দেন স্বাগতিক দেশের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ক্রম কোনো প্রথাগত নিয়ম বা বর্ণানুক্রমিক তালিকার আকস্মিক ফল নয়। বরং এটি এমন একটি দীর্ঘস্থায়ী রীতি, যা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে উচ্চপর্যায়ের এই আলোচনার সূচনা নির্ধারণ করে আসছে।
১৯৫৫ সালে দশম অধিবেশনে এই রীতি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। কালেভদ্রে ব্যতিক্রম ছাড়া এই রীতি এখনো অক্ষুণ্ন রয়েছে। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৫ সালের প্রথম দিকে অনেক দেশই প্রথম ভাষণ দিতে দ্বিধাবোধ করতো। সেই সময় এগিয়ে আসে ব্রাজিল।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা। একই সময়ে হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের শব্দ...
যুদ্ধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে কার্যত বন্ধ আছে হরমুজ প্রণালি। এবার বিশ্ববাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথ খুলে দিতে বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির...
যুক্তরাষ্ট্রে সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) প্রধান বারহাম সালিহ।
নিউইয়র্কের ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে স্থানীয় সময় গতকাল...
সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর আলেপ্পোর একটি সেনাঘাঁটিতে আজ সোমবার ভোরে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর পরপর সেখানে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটে। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসরায়েল গত সপ্তাহে পূর্ব জেরুজালেমে যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টার থেকেও ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের সরিয়ে দিয়েছে, যা খুবই বৈরী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নতুন করে সামনে এসেছে। মার্কিন প্রতিবেদনেই বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ মডেলের অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই তালিকায় একদম সামনের সারির যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক এয়ারক্রাফট থেকে শুরু করে আকাশে যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমান, উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার—সবই রয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। গতকাল সোমবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে ইরানে হামলা চালানোর শুরুর দিন (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে গত ৩০ জুন পর্যন্ত যুদ্ধে ওয়াশিংটনের সামরিক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইউরোপের দেশ লিথুয়ানিয়ার আকাশসীমায় একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইতালির যুদ্ধবিমান। যুদ্ধবিমানটি সেখানে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর হয়ে মোতায়েন করা ছিল। সংশ্লিষ্ট কমর্কর্তারা বলছেন, ভূপাতিত হওয়া ড্রোনটি রাশিয়ার বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সৌদি আরব অভিযোগ করেছে, পবিত্র মক্কা নগরীর দিকে ড্রোন ছুড়েছে ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুতিরা। ড্রোনটি আগেভাগে শনাক্ত ও ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা।
হুতিদের সঙ্গে সৌদি আরবের নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যেই মক্কা নগরী অভিমুখে ড্রোন পাঠানোর এ অভিযোগ পাওয়া গেল।
ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল–মালিকি দাবি করেন, সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শত্রুপক্ষের ড্রোনটি শনাক্ত করে। সংরক্ষিত আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটা ভূপাতিত করা হয়।