যুদ্ধ বন্ধে কী উদ্যোগ নিচ্ছে তুরস্ক

তুরস্ক প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের নেতৃত্বে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনকে কেন্দ্র করে একটি সম্মানজনক সমাধানের পথ খুঁজছে আঙ্কারা। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক, যাতে একটি সম্ভাব্য চুক্তির ভিত্তি তৈরি করা যায় বলে সূত্র জানিয়েছে।

তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, ২২ মার্চ হাকান ফিদান ইরান, মিশর ও ইউরোপীয় কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক ফোনালাপ করেন। একই দিনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন, পাশাপাশি সৌদি আরব, কাতার, ইরাক ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গেও আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়ে আলোচনা করেন।

আঙ্কারা মূলত একটি স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতির ওপর জোর দিচ্ছে, যাতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তবে এ ধরনের যুদ্ধবিরতি ব্যর্থ হলে সংঘাত পুনরায় শুরু করার সুযোগও রাখা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চালিয়ে যাচ্ছে এবং ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিদান সতর্ক করে বলেন, ইসরাইল সংঘাত দীর্ঘায়িত করতে চাইতে পারে এবং তাদের লক্ষ্য নির্দিষ্ট সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা ধ্বংস করা। তিনি ইঙ্গিত দেন, এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

তুরস্ক আরও একটি ঐক্যবদ্ধ কূটনৈতিক ফ্রন্ট গঠনের চেষ্টা করছে, যেখানে ইউরোপীয়, উপসাগরীয় এবং অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তিকে যুক্ত করে একটি সমাধানের পথ তৈরি করা হবে। আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামো ও পানিশোধন প্ল্যান্টে ইরানের সম্ভাব্য হুমকি উপসাগরীয় দেশগুলোকে উদ্বিগ্ন করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের কারণে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে চাপে রয়েছে এবং তারা আলোচনায় যেতে পারে। তবে স্থায়ী সমাধানে বড় বাধা হিসেবে রয়েছে ভবিষ্যতে হামলা না করার নিশ্চয়তা, ক্ষতিপূরণ এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মতবিরোধ।

তুর্কি সূত্রগুলো বলছে, রাশিয়া সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এখনো কোনো স্থায়ী চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ কম, কারণ ইসরাইলের অবস্থান ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, নিখোঁজ ১১

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। এ ঘটনায় আরও ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠীর এই হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। দূতাবাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য তারা পেয়েছে। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করতে কাজ চলছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে। রিয়াদে থাকা আরেকটি সূত্রের দাবি, ৪১ জন বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রীর একটি দল জেদ্দার উদ্দেশে যাত্রা করতে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন।

আরও পড়তে পারেন

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, নিখোঁজ ১১

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। এ ঘটনায় আরও ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠীর এই হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। দূতাবাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য তারা পেয়েছে। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করতে কাজ চলছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে। রিয়াদে থাকা আরেকটি সূত্রের দাবি, ৪১ জন বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রীর একটি দল জেদ্দার উদ্দেশে যাত্রা করতে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন।

ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের বিক্ষোভ, সংঘর্ষে আহত শতাধিক

বিদ্যালয়গুলোর অব্যবস্থাপনা, শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষার অনুপযোগী পরিবেশের প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। রাজধানী প্যারিসের পাশাপাশি মার্সেই, লিওঁ, নান্তেস ও রেনসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতেও মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কয়েকটি এলাকায় পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও লাঠিচার্জ করেছে। কোথাও কোথাও পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। সরকারি হিসাবে মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে প্রায় দুই লাখ মানুষ অংশ নেন।

নাইজেরিয়ায় সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, নিহত ৩২

নাইজেরিয়ায় সামরিক বাহিনীর একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ৩২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৫ জন যাত্রী এবং সাতজন পাইলট ও ক্রু সদস্য ছিলেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ওন্দো রাজ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবু। এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বলেন, বিমানবাহিনীর প্রধান তাকে দুর্ঘটনার বিষয়ে অবহিত করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট। নাইজেরিয়ার বিমান চলাচলবিষয়ক মন্ত্রী ফেস্টাস কিয়ামো জানান, বিমানবাহিনীর এটিআর-৪২ মডেলের উড়োজাহাজটি বেনিন সিটি থেকে লাগোসের উদ্দেশে একটি নিয়মিত মিশনে যাত্রা করেছিল। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে উড়োজাহাজটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।