পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরানি বার্তাসংস্থা মিজান নিউজ জানিয়েছে, আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
আলোচনার সময় পেজেশকিয়ান শেহবাজ শরিফকে বলেন, তাদের আশঙ্কা—যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিকভাবে আবারও ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করতে পারে, যেমনটি অতীতেও ঘটেছে। তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতি ও আলোচনা চলাকালেও ওয়াশিংটন অযৌক্তিক ও ‘গুণ্ডামিমূলক’ আচরণ করছে, যা তাদের মধ্যে সন্দেহ আরও বাড়িয়েছে। তার ভাষায়, এসব আচরণ থেকে মনে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না এবং ভবিষ্যতে আবারও হামলার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে এই টেলিফোনালাপের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি।
এর আগে রোববার (১৯ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সোমবার ইসলামাবাদে প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে। যদিও ইরান ইঙ্গিত দিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা এ আলোচনায় অংশ নাও নিতে পারে।
ইরানি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ ও তাসনিম নিউজ ‘অজ্ঞাত সূত্রের’ বরাতে জানিয়েছে, আলোচনার জন্য পরিবেশ এখনো অনুকূল নয়। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে আগে নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে—এটাই তেহরানের প্রধান শর্ত।
এদিকে, রোববার ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। এ ঘটনার জবাব দেওয়া হবে বলে সতর্কতা দিয়েছে তেহরান।


