তারেক মিয়া নামে একজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত লোক (ব্রিটেনে ৩ বছর বয়সে গিয়েছিল) Portsmouth Crown Court-এ ১৫ বছরের জেল দিয়েছে।
সে একটা অটিস্টিক ১২ বছরের মেয়েকে রেপ করেছে এবং আরেকটা ৯ বছরের বাচ্চাকে গ্রুম করেছে। Snapchat আর TikTok-এ গ্রুমিং করত। 
কোর্টে প্রসিকিউশন বলেছে যে তার “Bangladeshi culture” থেকে আসা অ্যাটিটিউডের কারণে সে ইংরেজ মান-মূল্যবোধ (English moral values) বোঝেনি এবং ছোট মেয়েদের প্রতি তার বিপজ্জনক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল।
লোকটা নিজে বলেছে এটা নাকি “silly mistake”।
এরকম কিছু লোক সত্যিই দেশের মান-সম্মান ডুবাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে যারা ভালো করে মাইগ্রেট করে, লেখাপড়া করে, কাজ করে, তাদের সবার ইমেজ নষ্ট হয় এই ধরনের ক্রিমিনালদের জন্য।
বাস্তবতা:
এই ধরনের কেস শুধু বাংলাদেশীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। UK-এ গ্রুমিং গ্যাংয়ের বড় অংশ পাকিস্তানি মিরপুরি/কাশ্মিরি ব্যাকগ্রাউন্ডের, আফগান, আরব কান্ট্রি থেকেও আসে।
কিন্তু প্রত্যেকটা কেস আলাদা আলাদা সম্প্রদায়ের সুনাম নষ্ট করে।

যারা এইসব করে, তারা সাধারণত ধর্মীয়/সাংস্কৃতিকভাবে খুব কনজারভেটিভ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসে, যেখানে পশ্চিমা সমাজের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা কম।
কিন্তু এটা কোনো অজুহাত হতে পারে না রেপ হলো রেপ, কালচার যাই হোক।
বাংলাদেশে নিজের চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজের সমস্যা কম নয়, কিন্তু বিদেশে গিয়ে এসব করলে দেশের বদনাম হয় সবচেয়ে বেশি।
দেশের সম্মান যারা সত্যিই ভালোবাসে, তাদের উচিত এই ধরনের লোকদের নিয়ে সোচ্চার হওয়া, না যে “এটা ইসলামোফোবিয়া” বলে ডিফেন্ড করা।
ভালো মানুষেরা যত বেশি এদের নিন্দা করবে, তত কম লোক এইসব করার সাহস পাবে।


