back to top
Saturday, February 28, 2026
Homeআন্তর্জাতিকট্রাম্প বললেন নোবেল না পাওয়ায় শুধু শান্তির কথা ভাবতে আর বাধ্য নই

ট্রাম্প বললেন নোবেল না পাওয়ায় শুধু শান্তির কথা ভাবতে আর বাধ্য নই

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আর ‘শুধু শান্তির কথা ভাবতে’ বাধ্যবাধকতা অনুভব করছেন না। কারণ, তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার উদ্যোগের বিরোধিতাকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। এতে আপত্তি জানিয়েছেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গর স্টোর ও ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব। তার প্রতিক্রিয়ায় নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে ওই চিঠি পাঠিয়েছেন ট্রাম্প।

চিঠিতে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও আপনার দেশ আমাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই আমি এখন আর কেবল শান্তির কথা ভাবতে বাধ্য নই। যদিও এটিই (শান্তি) সব সময় প্রাধান্য পাবে। এখন আমি চিন্তা করতে পারি, কোনটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’

ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড কেড়ে নেওয়ার জন্য বেশ কিছুদিন তৎপরতা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। এই পথে কোনো দেশ বাধা দিলে শাস্তি হিসেবে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের এমন হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল না পেলেও পদকটি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের হাতেই গেছে। এবারের শান্তিতে নোবেল পাওয়া ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের হাতে পদক তুলে দিয়েছেন। এ নিয়ে ট্রাম্প খুশি হলেও নরওয়ের নোবেল কমিটি জানিয়ে দিয়েছে, নোবেল পদক কাউকে দিয়ে দিলেও পুরস্কার বিজয়ীর নামেই থাকবে।

নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা বার্তায় নিজের পুরোনো দাবি আবার তুলে ধরেছেন ট্রাম্প। তা হলো—রাশিয়া ও চীনের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করতে পারবে না ডেনমার্ক। গ্রিনল্যান্ডকে নিজেদের মালিকানায় রাখার অধিকার কেন ডেনমার্কের এখনো রয়েছে—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি। বলেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় না আসা পর্যন্ত বিরাট দ্বীপটি নিরাপদ নয়।

ডেনমার্ক পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য। জোটের চুক্তি অনুযায়ী কোনো সদস্যদেশ আক্রান্ত হলে তাকে রক্ষায় এগিয়ে আসবে অন্য সদস্যদেশগুলো। ট্রাম্প সেদিকে না গিয়ে উল্টো গ্রিনল্যান্ড দখলে মন দেওয়ায় চটেছেন ইউরোপের নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে ন্যাটো ভেঙে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের অনেকে।

বিষয় ভিত্তিক সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত