― Advertisement ―

spot_img

জিতলে প্রাপ্তবয়স্কদের ৫ হাজার ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের

আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে পাঁচ হাজার ডলার করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার টেক্সাসের...
Homeআন্তর্জাতিকইরানের হিজাববিরোধী আন্দোলনে নির্বাসিত সাংবাদিক মাসিহ আলিনেজাদের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা

ইরানের হিজাববিরোধী আন্দোলনে নির্বাসিত সাংবাদিক মাসিহ আলিনেজাদের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা

ইরানে হিজাববিরোধী আন্দোলন এবং দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রচারণায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত ইরানি সাংবাদিক ও নারী অধিকারকর্মী Masih Alinejad। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বাধ্যতামূলক হিজাব নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে তার প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

মাসিহ আলিনেজাদ জন্মসূত্রে ইরানের নাগরিক এবং মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সাংবাদিকতা ও সামাজিক মাধ্যমে হিজাব বাধ্যতামূলক করার নীতির বিরুদ্ধে লেখালেখি এবং প্রচারণার কারণে তিনি ইরান সরকারের সমালোচনার মুখে পড়েন। পরবর্তীতে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়ে তিনি প্রথমে যুক্তরাজ্য এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস শুরু করেন।

মার্কিন সাময়িকী The New Yorker এক প্রতিবেদনে তাকে ইরানের হিজাববিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল “The Exiled Dissident Fuelling the Hijab Protests in Iran.” সেখানে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানি নারীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনায় আনতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

২০১৪ সাল থেকে আলিনেজাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রচারণা শুরু করেন, যেখানে ইরানের নারীদের বাধ্যতামূলক হিজাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে নিজেদের অভিজ্ঞতা, ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়। এসব কনটেন্ট তিনি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেন।

ইরান সরকার দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিদেশি শক্তির প্রভাবিত বা সমর্থিত কর্মী হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছে। তবে আলিনেজাদ নিজেকে একজন মানবাধিকার ও নারী অধিকারকর্মী হিসেবে পরিচয় দেন এবং ইরানে নারীদের স্বাধীনতা ও অধিকারের পক্ষে কাজ করার কথা বলেন।

মার্কিন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তাকে লক্ষ্য করে কয়েকবার হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে কিছু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর থেকে তার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বাধ্যতামূলক হিজাব আইন নিয়ে বিতর্ক দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে মাসিহ আলিনেজাদসহ বিভিন্ন কর্মী, সাংবাদিক এবং সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচনাও অব্যাহত রয়েছে।