
ইরানের তেল সংরক্ষণাগারে ইসরায়েলের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের বড় ধরনের মতবিরোধ তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এটিই দুই দেশের মধ্যে প্রথম বড় কোনো মতবিরোধের বিষয়।
যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র। দুই দেশ মিলে ইরানে আগ্রাসন চালাচ্ছে।
মার্কিন নিউজ পোর্টাল ‘অ্যাক্সিওস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলার পর ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলকে চরম বিস্ময়সূচক (ডব্লিউটিএফ) বার্তা পাঠিয়েছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এত বড় হামলা দেখে অবাক হয়েছি। আমরা মনে করি না, এটি ভালো কোনো বুদ্ধি ছিল।’
এদিকে, তেহরান ও এর আশপাশের তিনটি তেল ডিপো ও একটি শোধনাগারে হামলার ফলে সেখানে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
শহরজুড়ে আকাশছোঁয়া আগুন এবং বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় সবকিছু ঢেকে গেছে। সড়ক দিয়ে তেলের ‘আগুনের নদী’ বয়ে যেতে দেখা গেছে।
তেহরানের আকাশ থেকে তেল ও কালিতে মিশে যাওয়া ‘কালো বৃষ্টি’ ঝরছে। ‘অ্যাসিড বৃষ্টি’–এর আশঙ্কায় মানুষকে ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন মনে করছে, এই হামলা কৌশলগত একটা ভুল হতে পারে। এর কারণ জনমত।
তেল স্থাপনায় হামলার ফলে ইরানের সাধারণ মানুষের মধ্যে যারা বর্তমান সরকার পরিবর্তনের পক্ষে ছিল, তারা এখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে পারে।
জ্বালানির দাম বাড়তে পারে। ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা বলেন, প্রেসিডেন্ট এই হামলা পছন্দ করেননি।
তিনি তেল রক্ষা করতে চান, পোড়াতে নয়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা মনে পড়ে যায়।
বিস্তারিত: প্রথম আলো


