পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক অমীমাংসিত রহস্য রয়েছে, তবে ‘ভয়নিচ ম্যানুস্ক্রিপ্ট’ নামের বইটি বিজ্ঞানীদের কাছে সবচেয়ে বড় এক ধাঁধা। প্রায় ৬০০ বছরের পুরনো এই বইটি এমন এক অজানা লিপি বা ভাষায় লেখা যা পৃথিবীর কোনো মানুষ আজ পর্যন্ত পড়তে পারেনি। ১৯১২ সালে পোলিশ বই সংগ্রাহক উইলফ্রিড ভয়নিচ ইতালির এক প্রাচীন সংগ্রহশালা থেকে এটি উদ্ধার করেন এবং তার নামানুসারেই এই বইটির নামকরণ করা হয়।
বইটির পাতা উল্টালে চোখে পড়ে অদ্ভুত সব লেখা আর ছবি। সেখানে আঁকা আছে এমন সব অদ্ভুত গাছপালা আর ফুলের ছবি, যার কোনো অস্তিত্ব আমাদের এই পৃথিবীতে নেই। এর পাশাপাশি রয়েছে অজানা সব নক্ষত্রমণ্ডল এবং রহস্যময় সব সাংকেতিক চিত্র। আধুনিক যুগের সেরা ভাষাবিদ থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সুপারকম্পিউটার দিয়েও এই বইয়ের অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সবাই ব্যর্থ হয়েছেন। কেউ এর একটি শব্দেরও পাঠোদ্ধার করতে পারেননি।
অনেকের মতে এটি হয়তো হারিয়ে যাওয়া কোনো প্রাচীন ভাষা, আবার কেউ কেউ মনে করেন এটি হয়তো কোনো বুদ্ধিমান ভিনগ্রহীর রেখে যাওয়া বার্তা। বর্তমানে বইটি আমেরিকার ইয়েল ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে। আপনাদের কী মনে হয়, এই বইয়ের ভেতরে আসলে কী লেখা থাকতে পারে? কমেন্টে আপনাদের মতামত জানাতে পারেন।
